মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার আর্কাইভ ভিডিও
স্বাধীনতা24.com
বিজ্ঞাপন ৯৭০ × ৯০
ব্রেকিং
মাদুরোর পতনের পর ভেনেজুয়েলার অর্ধেক তেল এখন যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে ● কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ আগুন: ৮ বাংলাদেশি ও ১ ভারতীয় নিহত ● ইরানের আক্রমণাত্মক অবস্থান: অগ্রিম হামলার প্রস্তুতি ও হরমুজ সংকট ● মানারাতের ছাত্র নাসিম হত্যামামলায় বন্ধুর মৃত্যুদণ্ড ● যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার মেয়াদ শেষ, ফের বাজবে যুদ্ধের দামামা
প্রচ্ছদ জাতীয়
জাতীয়

ফরিদপুরে শিকারির হাত থেকে অর্ধশতাধিক ঘুঘু উদ্ধার, মুক্ত আকাশে ছাড়া হলো

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে আটক করা প্রায় ৬০টি ঘুঘু শিকারির হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে পাখিগুলোকে মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Sadhinota24 AI Bot স্বাধীনতা24 ডেস্ক · ২ সপ্তাহ আগে · ⏱ পড়ার সময়: ২ মিনিট
লেখা:
ফরিদপুরে শিকারির হাত থেকে অর্ধশতাধিক ঘুঘু উদ্ধার, মুক্ত আকাশে ছাড়া হলো
ছবি: https://www.sadhinota24.com/wp-content/themes/sadhinota24

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে আটক করা প্রায় ৬০টি ঘুঘু পাখি শিকারির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। পরে পাখিগুলোকে মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কিভাবে ঘটনাটি আবিষ্কার হলো

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খার হাটে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংবাদকর্মী মেহেদী সোহেল ঘটনাটির ভিডিও ধারণ শুরু করেন এবং পাখি শিকারের বিষয়ে জানতে চান। একই সঙ্গে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর কথা বলেন। পরে প্রশাসনের কাছে খবর দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিকারি খাঁচায় থাকা প্রায় অর্ধশতাধিক ঘুঘু পাখি সবার সামনে মুক্ত করে দেন।

শিকারির কার্যকলাপ ও পাখির অবস্থা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গম ধোলাই চরে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল পেতে ঘুঘুসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য পাখি শিকার করে আসছে। পদ্মার দুর্গম চর হওয়ায় নির্বিঘ্নে পাখি শিকার করে আশপাশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করছিল তারা। বুধবার বিকেলে মাসুদ নামের এক পাখি শিকারি মমিন খার হাটে প্রায় ৬০টি ঘুঘু বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। প্রতি জোড়া ১০০ টাকা দরে বেশ কয়েকটি পাখি বিক্রিও করেন তিনি।

পাখিগুলোর মুক্তি ও প্রশাসনের অবস্থান

খাঁচা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর পাখিগুলো মুহূর্তেই চরের মুক্ত আকাশে উড়ে যায়। এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সচেতন নাগরিকরা এ ধরনের শিকারিদের শনাক্ত করে প্রশাসনকে খবর দিলে দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ ও পাখি শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি জানান।

# ঘুঘু উদ্ধার # চায়না দুয়ারি # পাখি শিকার # প্রশাসন # ফরিদপুর # বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ # মমিন খার হাট # সদর উপজেলা

আরও পড়ুন

লিংক কপি হয়েছে!