কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন প্রায় সব পেশাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু একটি কার্যকর পেশাগত কর্মপদ্ধতিতে পরিণত করা একটি চ্যালেঞ্জ। এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছে এক্সওয়াইজেড ক্লাউড বাংলাদেশ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুই দিনব্যাপী ‘অ্যাপ্লাইড এআই অ্যাক্সেলারেটর ফর প্রফেশনালস’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে, যা প্রশিক্ষণের পর ৬০ দিনের অনুশীলন সহিত সম্পূর্ণ হবে।
প্রশিক্ষণের মূল কাঠামো
এই প্রশিক্ষণটি শুধু প্রম্পট লেখার উপর ভিত্তি করে নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ কর্মপদ্ধতিকে আলাদা করে। এর মধ্যে ব্রিফ → প্রেক্ষাপtring → সীমাবদ্ধতা → খসড়া → যাচাই → উন্নয়নের ধারণা অন্তর্ভুক্ত। এক্সওয়াইজেড ক্লাউড এআই ল্যাব, অ্যাপ্লাইড এআই অ্যাক্সেলারেটর এবং এক্সওয়াইজেড ড্রাইভস— এই তিনটি উদ্যোগকে একটি সমন্বিত প্রযুক্তি কাঠামোর অংশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে, এআই টুল ব্যবহার করতে পারা আর সেটিকে একটি কার্যকর পেশাগত কর্মপদ্ধতিতে পরিণত করা এক বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি, প্রতিষ্ঠানের গোপন নথি বিশ্লেষণ, বাজার গবেষণা কিংবা পুনরাবৃত্তির কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে শুধু ভালো প্রম্পট জানাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সঠিক প্রেক্ষাপtring, নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস, সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ, ফলাফল যাচাই এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপদ ডেটা ব্যবস্থাপনা।
বিভিন্ন খাতে এআই ব্যবহার
এই পদ্ধতিতে একজন বিপণন পেশাজীবী প্রচারণা পরিকল্পনা ও বিজ্ঞাপনের বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করতে পারেন। মানবসম্পদ কর্মকর্তা চাকরির বিবরণ বা সাক্ষাৎকার কাঠামো তৈরি করতে পারেন। সাংবাদিক দীর্ঘ নথি বিশ্লেষণ বা তথ্য যাচাইয়ে এআই ব্যবহার করতে পারেন। একইভাবে আর্থিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও তথ্য শ্রেণিবদ্ধকরণ, প্রতিবেদন তৈরি কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজে এআই ব্যবহার করতে পারবেন। গণমাধ্যম, শিক্ষা, বিজ্ঞাপন, করপোরেট যোগাযোগ, বিক্রয়, পরিচালন কার্যক্রম ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মতো বিভিন্ন খাতের জন্য আলাদা বাস্তবভিত্তিক ঘটনা-নির্ভর অনুশীলন তৈরির সুযোগও থাকছে।
এই উদ্যোগটি এআই নিয়ে আগ্রহীদের বড় একটি অংশ এখনো মূলত প্রশ্ন করে উত্তর নেওয়ার পর্যায়েই সীমাবদ্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করবে। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শেখার প্রক্রিয়া শেষ হবে না; পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরাসরি প্রশিক্ষণের পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে ৬০ দিনের অনুশীলন পিরিয়ড।